
ফেসবুকের অঘোষিত “শুভকামনার কালো জাদুকর” মোহাম্মদ রায়হান আবারও আলোচনায়।
যে কাউকে শুভকামনা জানালেই তার জীবন-সংসার উল্টে যায়—এমন কুখ্যাতি বহু আগেই পেয়ে গেছেন তিনি। এজন্যই ক্যাম্পাসে সবাই চেনে তাকে এক নামে—কুপা রায়হান।
কেউ দোকান খুললেই তিনি “অল দ্য বেস্ট” লিখেছেন, আর কয়েকদিনের মধ্যেই দোকানে তালা ঝুলেছে।
কেউ বিয়ে করেছে, রায়হানের ইনবক্সে পড়েছে এক লাইন শুভকামনা—কিছুদিন পরেই ডিভোর্সের কাগজ।
চাকরিতে জয়েন করলে রায়হানের মেসেজ মানে অফিসের সাসপেনশন লেটার রেডি।
এমনকি বিদেশি স্পোর্টস টিমগুলোও নাকি আতঙ্কে থাকে, যদি হঠাৎ রায়হান তাদের ম্যাচের আগে শুভকামনা দিয়ে বসেন।
কিন্তু এবার পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক।
ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে হঠাৎ ঘোষণা দিয়েছেন রায়হান—প্রার্থীদেরও শুভকামনা জানাবেন।
খবর ছড়াতেই প্রার্থীদের মধ্যে হুলস্থুল।
কেউ ক্যাম্পেইনে যেতে ভয় পাচ্ছেন, কেউ নাকি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের কাগজ তৈরি করছেন।
এক প্রার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বললেন, ভোটের রেজাল্ট যাই হোক সমস্যা নেই, কিন্তু যদি রায়হান ভাই ইনবক্সে “অল দ্য বেস্ট” লিখে দেন, তবে ভাবির কাছে মুখ দেখানো যাবে না।
শিক্ষার্থীরাও আতঙ্কিত। তাদের আশঙ্কা, রায়হান যদি সত্যিই প্রার্থীদের শুভকামনা দেন, তাহলে নির্বাচনের দিনই হয়তো ক্যাম্পাসে অঘটন ঘটবে।
সব মিলিয়ে ডাকসু ভোটে কে জিতবে, সেটা এখন আর মুখ্য প্রশ্ন নয়। আসল প্রশ্ন হলো—রায়হান কাকে শুভকামনা জানাবে।