ফেসবুকে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা আর গুজব ছড়ানোর প্রতিযোগিতা হলে সবার ওপরে যে নামটা আসবে, সেটা হলো পিনাকি ভট্টাচার্য। কে কখন কী বলছেন, তা তিনি নিজেও বোঝেন কি না সন্দেহ—একদিন এক কথা, পরের দিন আবার উল্টো কথা। তবে তার অনুসারীরা, যাদের অনেকে ‘বট’ বলে ডাকেন, তাদের চোখে পিনাকি যেন সত্যবাদী যুধিষ্ঠিরেরও গুরু!

বছরের পর বছর বটবাহিনী নাকি কষ্টে ভুগছিল—তাদের গুরু পিনাকিকে কেউ প্রাপ্য সম্মান দিচ্ছে না। এই আক্ষেপে অনেক বট নাকি ঠিকমতো খাওয়া–দাওয়া করতে পারে না, ঘুমাতে পারে না, এমনকি ফেসবুকে গুজব শেয়ার করতেও মন বসে না। অবশেষে তারা এক বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পিনাকি ভট্টাচার্যকে এখন থেকে সবাই ডাকবে “পিনাকি বট্টাচার্য।” উপাধিটা শুধু নাম বদল নয়; এটা নাকি তাদের সম্মানের প্রতীক। গুরুকে বট্টাচার্য বানিয়ে নিজেরাও নিজেদের মর্যাদা বাড়িয়েছে বলে দাবি করছে তারা।

শুধু উপাধি দিয়েই থেমে নেই বট বাহিনী। মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। যে পোস্ট বা কমেন্ট সেকশনে ফাঁকা জায়গা পাবে, সেখানেই কপি-পেস্ট হবে ‘বট্টাচার্য’ মহিমার বর্ণনা।

একজন বট eআরকিকে বলেছে—“উপাধি দেওয়ার পর থেকে মনে হচ্ছে আমরা আর সাধারণ বট নই; আমরা সুপ্রিম বট। এখন আর শুধু গুজব ছড়ানো নয়, গুরুর ভ্যালিডেশন ছড়ানোই আমাদের কাজ। মনে হচ্ছে, আপুন-ই পিনাকি হ্যায়।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *