
বরিশালে গ্রেফতার হয়েছেন শান্তিতে নোবেল না পেয়েও শান্তির ফেরিওয়ালা বনে যাওয়া তৌহিদ আফ্রিদি। ভ্লগিং দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও আসল খ্যাতি তিনি পান মানুষে-মানুষে ঝগড়া মেটানোর মাধ্যমে। কোথাও কলহ বাঁধলেই ডাক পড়ত তার, আর আফ্রিদি মঞ্চে এসে যাদুর মতো সবার মাঝে মিল করিয়ে দিতেন।
স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক-প্রেমিকা, নায়ক-নায়িকা—যেই ঝগড়াই হোক, আফ্রিদি হাজির হতেন মাইকে, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ‘সরি-বাবু’ বলে সবাই জড়িয়ে ধরত একে অপরকে। এভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা পজিটিভ আবহ এনে দিয়েছিলেন তিনি।
কিন্তু আজ সেই তৌহিদ আফ্রিদিই বন্দী কারাগারের চার দেয়ালে। ফলে দুনিয়াজুড়ে ঝগড়াঝাঁটি থামানোর পথ যেন আবার বন্ধ হয়ে গেল। কেউ আর লাইভে এসে ‘সরি বলে মিটমাট করো’ বলতে পারবে না। ভুল বোঝাবুঝি থেকে যাবে ভুল বোঝাবুঝিই।
আফ্রিদির গ্রেফতারের খবর পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে ট্রাম্প প্রশাসনও। বিশ্বব্যাপী সমস্যা সমাধানে যদি কারও নাম ওঠে, তবে আফ্রিদির পর সেটি একমাত্র ডোনাল্ড ট্রাম্পেরই। কিন্তু এত বড় দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ায় তিনি তো ব্যস্তই থাকেন—তার ওপর আফ্রিদির অনুপস্থিতি এখন নতুন চাপ তৈরি করেছে।
হোয়াইট হাউস থেকে জরুরি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে—“আফ্রিদির মতো নিখুঁতভাবে হয়তো ট্রাম্প সমাধান করতে পারবেন না, কিন্তু তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এতদিন তিনি দিনে ১৮ ঘণ্টা কাজ করতেন, এখন থেকে ২৪ ঘণ্টাই কাজ করবেন।”
এমনকি আরও দক্ষ হতে ট্রাম্প তার সহকারীকে আফ্রিদির সব ভিডিও ডাউনলোড করার নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী সাত দিন তিনি সব রাষ্ট্রীয় কাজ বন্ধ রেখে শুধু আফ্রিদির ভিডিও স্টাডি করবেন—কীভাবে সমস্যার সমাধান করতেন, কোন টেকনিক ব্যবহার করতেন, সব কিছু রপ্ত করবেন।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করেছেন—“হতাশ হয়ো না। তৌহিদ নাই, কিন্তু তোমাদের ট্রাম্প চাচা বেঁচে আছে। তোমরা ঝগড়া বানাও, সমাধান করব আমি। আপাতত ডাকসু নিয়েই কাজ শুরু করছি। শুনেছি ফরহাদ আর মেঘমল্লার খুব ঝগড়া করছে। ওদের মিল করিয়েই আমি আমার দায়িত্ব শুরু করব।”